Wednesday, April 19, 2017

অসিদ্ধি সম্ব্রিত যাবতীয় পরতালের 
একমাত্র নিকৃষ্ট উপাদান-
যুক্তিবিহীন, তথাকথিত নির্মল,
আবেগ। 

বাণিজ্য, অর্থাৎ গণিত 
ঐতিহাসিক এবং সজ্ঞাবদ্ধ হেতুতে,
প্রায় মর্জাদা রক্ষার্থে-
কলা-পরিসীমার বহিরাগত।
ধর্মের ন্যায়- এমত বহুচর্চিত
যে যুক্তি দ্বারা তাহার খন্ডন অসম্ভব।

সংজ্ঞা সর্বজনীনভাবে সহজ হওয়া প্রয়োজন,
কলা বা অন্যথা।
মহাকাব্য বা অন্য যে কোনো লোকপ্রি়র ন্যায়।

গণিত বা বাণিজ্যের ন্যায় 
অতীন্দ্রি় বস্তুসমূল;
যেন উর্য্যকেন্দ্র-
শহর হইতে কিছুটা দূরেই
প্রতিষ্ঠিত থাকিবে চিরটা।
তাহা উর্য্যার প্রয়োজন যত
সহজবোধ্য হউক না কেন।

যে কোনো বিজ্ঞান,
বাণিজ্য, গণিত, পরিসংখ্যান, যুক্তি, ইত্যাদি
যে কলার ক্ষেত্রবিশেষ-
তাহা ধর্মের অহেতুকতা হইতেও
অধিক দুর্বোধ্য-
তথা চিরন্তন সত্য।

এমত সত্যের যে কোনো ক্ষেত্রে,
তাহা যতই সহজাত হোক না কেন,
পরিতাপ ভীষণভাবে অপ্রয়োজনীয়।


তথাপি সকল নির্মল আনন্দের
ক্ষেত্রেই নীহিত- এই তথাকথিত, আবেগ।
এবং সমস্ত অসিদ্ধির,
বিনীত ও বিনম্র-
ব্যাখ্যা।

Friday, March 24, 2017

বেবাক মতবাদ, যুক্তি, বোধ, বুদ্ধি,
এমন কি দৃষ্টি ও-
আবদ্ধ করা প্রয়োজন আজ।


প্রলক্ষন বধ করা দুরূহ
কিন্তু সুপ্তি সম্ভব।
শ্রোতা বা বিপণী ব্যতীত, আবেগ
নিরর্থক; যথা পরিহার্য।
সম্পূর্ণ বর্জন সম্ভব না হইলেও 
গাপ রাখা স্বাস্থকর।


সকলেরই অন্তরাল থাকে
তোমারও আছে।
আত্মগোপন আছে, বাটী আছে।
বাটীর দৃশ্যত সীমা আছে।


'আলেখ্য' হাঁকিয়া 'বর্নাবলেপন'-এর উদ্যেশ্যে
বক্তব্য তবু আছে;

(তুমি আছো। থাকবে।
স্মরণে, চিন্তায়। সদা।)

লুক্কায়িত সোপান-যুক্ত
ভূগর্ভস্থ ভাণ্ডারে,
আসব, তথা চষক আছে;
অহেতুক এবং নিকটস্থ আহরণ আছে।



পণ্যবিহীন সমস্ত ভাবনা, বিবেচনা,
সেইখানে-
লূতাতন্তু আর অলস, পরিচয়হীন মড়কের পার্শ্বে
নিদারুণভাবে অন্তরীণ হওয়া আবশ্যক আজ।

Saturday, March 4, 2017

ভূধৃতি সাধারণত অভ্যাস-প্রসূ,
কিন্তু গুনতন্ত্র মজুত।
গুনতন্ত্র নিরপেখ, সদা সাম্প্রতিক,
এবং ইতিহাস অজ্ঞানবাদী।
চরিত্র, চাহিদা, অসুখ ইত্যাদি
সকল মানসিক এবং শারীরিক
সূত্রের উর্দ্ধে। 

ঘ্রাণের আয়োজন অকাট্য প্রবোধ;
সমার্থে অনুস্মারক,
অনুস্মারক- নিশ্চিত, আসন্ন্য আখেরের।

ব্যাবাক দর্শনাবশেষে,
দুস্তোষ্য অনুভব এই যে-
প্রণোদনা দ্বারা হোক বা অন্যথা,
হে নিশ্চিন্ত, ঘুমন্ত- অপত্য,
দায়িত্ব সমস্ত নিপতিত তোমাতে;
ঠেকিয়াছি আসিয়া, ম্লানবদনে,
ক্লান্ত ও কোটরস্থ আঁখিতে,
অকুলের কূল, তোমাতে।

Sunday, February 26, 2017

আগের শহর, সবুজ শহর
এখন কেমন ধুলো-লাল।
আমদানির সাথে পাল্লা দিয়ে
অবকাঠামোর গেল তাল।

গাছের জানো, বয়েস আছে-
সাবালকত্বে ছায়া,
আমরা বাপু যুক্তি বুঝি,
বুঝি যৌতুকের মায়া।

সহপাঠীরা প্রবাসী সবাই 
আমি ও করিনি অন্যথা,
নিয়ম করে তবুও সবাই
মনে রেখেছি ঠাকুরের 'খাতা'।

মিনসে গোপালের পিসিমা
আড়তের দিকে চেয়ে তবু
ভাবে যদিবা হতে পারে
অরুণ, গত গোপালের হবু।

আমি যদিও ভাবি শুধু
সাঁড়ে পাঁচ যদি না হত
পাশে থাকতাম চুপটি করে 
শত্রুর মুখে ছাই যত!

Monday, February 20, 2017

সমস্ত কল্প্য ক্ষেত্রে বা পরিপ্রেক্ষিতে,
সন্তানের প্রতি আবেগ- অনাবিল স্নেহশীলতা।
চির অপক্ব, একচক্ষু স্নেহশীলতা।
কুসন্তান, শ্রবণকুমার নির্বিশেষে,
ভীষণ পক্ষপাতী এবং সহজাত,
অপত্য-স্নেহ!

ঠাকুরমার হস্তের ফলার, কবিতা,
রন্ধনক্রিয়া, স্বাতন্ত্র্য, একাকিত্ব
ইত্যাদির অনুরাগ সমুদয়,
সকলই একরূপ অলীক....
স্নেহশীলতা একম-
যেন মৌলিক যুক্তিবিজ্ঞানের এবং-বোতাম।

সমস্ত তথ্যগত হওয়া সত্ত্বেও যেইরূপ
উদ্ভাবনশক্তি ব্যতীত তথ্য,
ব্যাবাক সৃষ্টিতে
বিশেষ সাহায্য করে না। 


ত্তজরের ভূমিকা তবুও অধিষ্ঠিত,
অনৈচ্ছিক, অযৌক্তিক প্রলক্ষণ- ওজর!
শকটিস্থ ছা-এর স্কন্ধের প্রয়োজন বা রন্ধন,
দীর্ঘকালীন না হইলেও
অপ্রতর্ক্য অগদ বটে।

Saturday, February 18, 2017

শৈশবে, গ্ৰীষ্মকালের অধিকাংশ প্রাত্যরাশে,
ফলার প্রাপ্তির সৌভাগ্য ঘটিত।
অম্র, কদলি, কণ্টকিফলের সান্দ্র রস,
সামান্য দুগ্ধ, খর্জুর ইত্যাদির মিশাল।

গৃহাকুলতা অথবা স্মরণবেদনার তাগিদে,
একদা স্বাধীনভাবে, সহস্তে-
ফলার সৃষ্টির দুঃসাহস করিলাম,
এবং তাহা খাইবার ও।

অনুচিন্তনে ভাবিতে লাগিলাম-
ফলারের দুর্গতির একমাত্র কারণ,
ঠাকুরমার হস্তশিল্পের অভাব না ও হইতে পারে...
উপকরণ-প্রকৃতি ও
সম্ভবত নিহিত।

প্রভব যাহাই হউক,
ঐরূপ ফলার... বোধ করি-
ইহকালে আর জুটিবে না।


এমত পরিণতি ফলার ব্যাতিত,
আরো বহু ক্ষেত্রে প্রেক্ষিত।

Thursday, February 9, 2017

'তা না না না- র প্রস্তাব যে শুধুমাত্র
জাত লইয়া নয়,
সে আমি বুঝি এবং জানি।

দুর্বল্যে কাজ; তবুও অনপরিহার্য্য।
শক্তি সব।
তদুপরি, মুশকিল এই যে-
শক্তি, এমনকি মনোসিকতা বা আবেগ ও-
পিছপা।

অর্থাৎ বিশেষ প্রয়োজন নাই।
অর্থাৎ- তোমার পেছন...
আসলে পিছপা।

পিছপা- আয়নায় যখন নিজেকে সে দেখে-
তখন সে তোমার আবেগ,
এবং আমার- পিছপা!
ব্যাবাক এবং বৃত্তিধারী বলিতেছে অসুখ,
আমি তো মোটেই তা মনে করি না।
আমার মনে হয়- মন্থরতা।
আমার মনে হয়- সম্পাদ্যটা কায়িক।
অর্থাৎ নিতান্ত সময়-সাপেক্ষ্য।

যদিবা মানসিক হয়,
ওর বা অন্যথা, লোকের আবেগ আছে।
ভীষণভাবে তদুপরি- ওর পিতা আছে।

তা হল। তাতে কি?
কাঠুরিয়া বা মন্ত্রী তাতে,
আবেগপ্রবণ হইতে পারে-
এইরূপ সম্ভাবনা আছে কি?

এ বিশ্বের, মানবজাতির- সংজ্ঞা আছে।
বাধ্যতামূলক সজ্ঞা।
পালন তবু চিরন্তন-
চিরন্তন অনাবশ্যক।

বহু হল; বহু গেলো;
পালন এ আর সবে।
আমি নিজভাবে, নিজ গুনে, চেষ্টায়-
পালন করিব।

আরো তদুপরি, কড়ার-
ভাবোদ্দীপক;
হইব না; তুমি আমার অপত্য,
আমি তোমায় লইয়া থাকিব-
প্রতিশ্রুতি।