Sunday, April 1, 2018

The word is DISPLACEMENT.

Double-clicks:
Meritocracy? Business sense?

How about both?
Ever thought of that?
How about an atheism- so strong
and yet so weak at the same time
that it spawned a THEISM?
like seeing a ghost, for the initiated
almost synonymous to a tautology...
And hence-
LIFE LONG.

How about differences?
differences in birds chirping? 
Insects?
The inability of technology to create open air?
The wellness factor in a particular fruit like Avocado?
And henceforth?

How about browsed territories vs unknown?

And If that rang,
how about.....
MANKIND?


Robust still, so called,
MONSTERS?
Without the Inc. part,
How about,
THEM?

Wednesday, February 28, 2018

বৃধ্যাঙ্গুষ্ঠ লইয়া সাহিত্য আমাদের অভ্যাস নয়;
হস্ত-লিখিত পত্র, শিশুসুলভ ও নির্মল আবেগ,
সৃজনশীলতা, ভাষা দিবস, আয়কর, তথা-
খেরাজ, বিদ্যুত অথবা ঔষধ সম্পর্কিত রসিদ,
প্রত্যুষে দাঁত মাজা, অভিসিঁচন ইত্যাদি-
যে অযথা, কেবলমাত্র অভ্যন্তরিত পক্ষপাত, মূলতঃ শিক্ষা,
তাহাদের প্রতি আমাদের ঠাট্টাস্বরুপ বিশেষণ আছে।
 
কেননা আমাদের এক জন্মাবধি ব্যাধি আছে-
আমাদের প্রধান অবলম্বন উপস্থিতির সুখ,
অনুপস্থিতি জনিত অসুখ নয়।
তথা নিশ্বাস, বাতাস, সূর্য, বৃধ্যাঙ্গুষ্ঠ, সলিল, এমনকি সময় ও-
আমাদের খাতায় অন্তর্ভুক্ত হইলেও, তালিকায় খুড়তুতো-
বড় জোর শুষ্ক, সীমিত দর্শনের স্থান প্রাপ্ত হয়।
 
 
শিক্ষাগত আবেগ, ফলস্বরুপ দর্শনের কালো রঙে 
বিদ্বেষ, স্নেহের সহোদর হিসাবে
মহা আড়ম্বরে উদযাপিত হয়।

Thursday, January 4, 2018

দস্যুবর্গের এক অপ্রতিম সুবিধা আছে-
লক্ষ্যর প্রতি নিপট অধ্যবসায়ের ফলে
প্রকৃতপক্ষে আবেগ বিনিয়োগ করে না।
এর ফলে, অনেক সত্য, মাধুর্য্য, সৃষ্টি, প্রকৃতি, প্রণয়
ইত্যাদি হইতে ইহারা সহজে বঞ্চিত থাকে।

সুসভ্য আবেগশীলেরা এইরূপ বঞ্চনা হইতে মুক্ত
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কদর করিতে তাহাদের পরিশ্রম করিতে হয় না 
অনায়াসে ছদ্মবেশী জীব, রঙ্গীন কীট ইত্যাদিতে তাহারা মত্ত হয়,
লক্ষ্য অথবা আত্মপরতা অন্যতম ধারা না হওয়ায়
এমত অবিরত আনন্দ-উৎসবের ছিপি থাকে না তাহাদের।

লক্ষ্য, আত্মপরতা, ফসকান ইত্যাদি সবই- তথা আপেক্ষিক। ন্যায্য।
এবং এই দুই বর্গের অস্তিত্ব চিরন্তন।

 
তবুও কি আশ্চর্য্য দ্যাখো-
খরা, বর্ষা, ফসলে কীট ইত্যাদি সমস্ত থাকা স্বত্বেও 
নবান্ন প্রতি বৎসর আসে,
অথবা অতীতের সুরক্ষিত ফসলে উদযাপিত হয়।

Monday, December 25, 2017

যন্ত্র সবই! সৃজনশীলতা, রোষ, কামেচ্ছা, বৃত্তি,
এমনকি কর্তব্য, তদুপরি স্নেহ ও।

মস্তিষ্ক এবং কামের দ্বন্দ- পোতচালক কে?
উপসংহতি আর অধিসংহতির সঙ্গা কি?
সংহতি ই বা কি?

বাতাস থাকিবেই।
পৃথিবীর কোথাও না কোথাও, শীত বা গ্রীষ্ম থাকিবেই।


কৌশল, তথা মস্তিষ্কের
কৌশল, তথা 'আমরা সবাই রাজা আমাদের এই রাজার রাজত্বের' ই-
কৌশল, তথা আত্মপরতার-
কেননা সৃষ্টি বস্তুত- আত্মপরতার পরিজন!
সৃষ্টি, বস্তুত যন্ত্রের ব্যবহার।


কঠিন, তথা অপরূপ।

Friday, December 8, 2017

ফি শুক্রবারে, শহরতলিতে,
টাটকা অলাবু, পুঁই, কুমড়া, লাল শাক, পাট শাক ইত্যাদির মতন-
অপারগতার হাট বসে।
ফজরে।
তথাকথিত নির্মল, ভাজা-মাছ-বিশেষণে সমৃদ্ধ
অমুক গ্রামের, তমুক 'গরীব' এবং 'বঞ্চিত',
মেধাবী, এমনকি বনেদী, কৃষকেরা আপণ সাজায়।

ভূগোল, ইতিহাস, শিক্ষা, পরিবেষ্টন, পক্ষাঘাত,
তথাকথিত বুদ্ধি, ইত্যাদি-
প্রতিষ্ঠিত-ভাবে, যুক্তির মুখে ভস্ম নিক্ষেপ করিয়া,
আবালবৃদ্ধবনিতা তাহাতে মজে, সংগ্রহ করে।

ক্ষতি হয় আপনার মত চিন্তাধারীদের-
তাহাদের- যাহারা মস্তিষ্ক শব্দটি অনুভব-হেতু
হৃদয় শব্দটি অপ্রয়োজনীয় বোধ করে।

 
ফি শুক্রবারের হাটে আপনার মত লোকেদের
বিপণি প্রসারণের যোগ্যতা ও যৌক্তিকতা
'কোন দুঃখে?' নামক একপ্রকার প্রচলিত 
অলংকরণে সুসজ্জিত থাকিবে সর্বদা।

Tuesday, November 14, 2017

এইযে 'প্রায় প্রতহ্যই' আপনি সকালে বেড়াইতে যাইতেন,
তাহা যদি 'যান' লিখিতে পারিতাম!

যখন আমি, ইহজীবন অনুযায়ী,
প্রয়োজন ছাড়া, খবরের কাগজ পড়িনা,
তখন যে আপনি নিমেষে পলাতক,
তাহা জ্ঞাত হইলে,
আপনি সত্যি মনে করেন অন্যথা হইত?

প্রায় ব্যতীত আমিও প্রত্যহই হাঁটিয়া আসিতেছি,
জন্মাবধি। এই আশায়,
যদিবা কোনোরূপে মনুষত্ত্ব,
ভূগোল এবং ইতিহাসকে পশ্চাতে ঠাঁই দেয়....

কিন্তু জানেন আপনি?
ভূগোল আর ইতিহাসের কোন অন্ত ইহকালে নাই।
তাহা, প্রায় প্রত্যহে হাঁটা
যতই সহজাত হোক না কেন,

চলমান হইলে শিলায় শ্যাওলা না পড়িবার সূত্রের ন্যায়-
তত্ত্বীয়।


"বিশ্বসাথে যোগে যেথায় বিহার,
সেইখানে যোগ তোমার সাথে আমারও।"

Saturday, November 4, 2017

ক্ষুধা এক বিশেষ যন্ত্র,
ধরার সমস্ত যন্ত্রনার তক্তা।
মন্দগ্রাহিতার ঔষধ শুধুমাত্র লেশ হইতে পারে
কেননা সুখানুভব সর্বদাই মৌলিক;
তথা সহজাত লেশ ব্যতীত ইহার ব্যাখ্যা নাই।
তাহা ফরাকত যতই বন্ধুত্বপূর্ণ হোক না কেন।

কলা-বোধ, অথবা কৌশল,
এইরূপ মতবাদের যথেষ্ট ব্যাখ্যা নয়।
ভূগোল, ইতিহাস, স্মৃতিবেদনা, সংজ্ঞাবলী ইত্যাদি
এইরূপ ভাবনার, বহুপ্রচিলত হইলেও,
নিছক ওজর মাত্র।

তুমি তো আছই। তোমার তদুপরিরাও আছে।
সবারই আলেখ্য থাকে।
তাই প্রকৃতদের বিপদের ভয় থাকে।
এবং সেইসূত্রে- প্রায় সকলপ্রকার উৎসবের
আধিক্য ও।

Friday, October 27, 2017

বিপরীতার্থক, সমার্থক, নানার্থক, ভিন্নার্থক, এমনকি মর্মার্থক ও-
সবই পারিনিধি; যুক্তি বা বিজ্ঞান ক্ষুধায়।

অপত্য স্নেহের সমার্থক কি?
ঝিনুকে মুক্তার অন্তরীণ থাকা?

সংজ্ঞা, সূত্র ইত্যাদি ভীষণ ভয়াবহ; শাদীর মতো।
কেহ কোনো শাদীকে কখনও ধাবনকালে
দৃষ্টি-বিচ্ছুরণে বাধ্য করিতে পারিয়াছে?
প্রাকৃতিক শোভা যতই মনোলোভা হোক না কেন।
শাদীর এহেন আচরণের বিপরীতার্থক কি?
জলাশয়ের পৃষ্ঠতল-স্থিত উপলের পর
উদ্ভিজ্জ্যের বর্তমানতার সম্ভাব্যতা?
অথবা, মুষলধারার?
ইলশে গুঁড়ি?

সকলই বোধ করি,
সূর্য্যের পূর্ণগ্রহনের ন্যায়।
ব্যাসার্ধ আর দূরত্বের এমত প্রণয়
অদৃষ্টপুরুষের কলাপ না হইলেও,
বিজ্ঞানের অতীত নিশ্চিন্ত।